স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, সাঁকোটি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল যে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের চলাচলে ছিল চরম দুর্ভোগ। তবুও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই প্রতিদিন সেই সাঁকো ব্যবহার করতেন সাধারণ মানুষ।
এমন পরিস্থিতির খবর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম-এর নজরে এলে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়। তাঁর নির্দেশনায় পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি অপসারণ করে অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে মজবুত ও নিরাপদ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।
নতুন সাঁকো নির্মাণের ফলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। এখন স্বস্তির সঙ্গে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসী প্রতিমন্ত্রীর এমন দ্রুত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী সেখানে দ্রুত একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাসও দেন। স্থানীয়দের আশা, স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ পুরোপুরি দূর হবে।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, “মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স্যারের নির্দেশে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাঁশের সাঁকোটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে কয়েকটি এলাকার মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে যাবে এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হচ্ছে।”