বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নতুন বোর্ডে পদাধিকারবলে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। এছাড়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নতুন বোর্ডের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সরকার মনোনীত দুই সংসদ সদস্যকেও বোর্ড অব গভর্নরসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে সরকার মনোনীত পাঁচজন বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদকে বোর্ডের গভর্নর করা হয়েছে।
তারা হলেন—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব এবং ঢাকার জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহতামিম মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী; চরমোনাই আহসানাবাদ রশিদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী; বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক; হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও মারকাযুল হুদা আল-ইসলামী বাংলাদেশের মহাপরিচালক মুফতি আজাহারুল ইসলাম; এবং সম্মিলিত ইমাম খতিব পরিষদের ঢাকার মহাসচিব ও যাত্রাবাড়ীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের খতিব মুফতি শরীফ উল্লাহ।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. জেহাদুল বারীর সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদাধিকারবলে দায়িত্ব পাওয়া গভর্নরদের বাইরে অন্য গভর্নরদের মেয়াদ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে তিন বছর কার্যকর থাকবে।
তবে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পর সরকার নতুন গভর্নর নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত বর্তমান সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে যেতে পারবেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সরকার প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় পদাধিকারবলে নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্যদের বাইরে অন্য কোনো গভর্নরকে পরিবর্তন করতে বা তার পদ শূন্য ঘোষণা করতে পারবে।