সোমবার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে কস্তা বলেন, ‘বেসামরিক অবকাঠামো, বিশেষ করে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই নীতি যেমন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তেমনি বিশ্বব্যাপী সব সংঘাতেই প্রযোজ্য।
কস্তা বলেন, ‘ইরানের সাধারণ জনগণই দেশটির শাসনব্যবস্থার প্রধান ভুক্তভোগী। সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত হলে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাঁচ সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার একমাত্র সমাধান কূটনৈতিক পথেই সম্ভব।
এর আগে রোববার নিজের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ স্যোশালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, মঙ্গলবার ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। তিনি ইরানকে দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার আহ্বান জানান, অন্যথায় ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দেন।
আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসামরিক অবকাঠামোতে ইচ্ছাকৃত হামলা আন্তর্জাতিক আইনে নিষিদ্ধ। এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় আইনের সীমার মধ্যেই কাজ করবে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কস্তা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এসব আলাপের উদ্দেশ্য ছিল উত্তেজনা প্রশমিত করা, বেসামরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি করা।