আইডিএফের মিলিটারি কন্ট্রোল সেন্টার ইসরায়েলের রাজধানী জেরুজালেমে অবস্থিত। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে বলে আইআরজিসি জানিয়েছে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলেছিল। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই সংলাপ শেষ হয়। এর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ২ হাজারের বেশি নাগরিক নিহত হয়েছে।
ইরানও সমানতালে পাল্টা জবাব দিচ্ছে। যুদ্ধ শুরু থেকে ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় ছয় দেশের (সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান) মার্কিন সেনাঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।