পোস্টে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যে বিরোধী দলীয় নেতা প্রশ্ন করেছেন, বাংলাদেশের একটি বন্ধুরাষ্ট্র কেন বলেছে যে, তারা চরম কষ্টের সময়ে বাংলাদেশকে পাশে পায়নি। এ বিষয়ে বাস্তবতা হলো চলমান উপসাগরীয় যুদ্ধে ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে বাংলাদেশের নীতি প্রশংসিত হয়েছে।
উদাহরণ তুলে ধরে পোস্টে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস সাম্প্রতিক একটি বিবৃতিতে বাংলাদেশের ভারসাম্যমূলক ও গঠনমূলক নীতির প্রশংসা করেছে। একই বিবৃতিতে মিডিয়াতে দেয়া বক্তব্যের টুকরা অংশকে ইচ্ছামতো প্রচারে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ইরানের দূতাবাস। ফেসবুকে দেয়া পোস্টে এ সংক্রান্ত বিবৃতিটিও সংযুক্ত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এছাড়াও পোস্টে আরও বলা হয়েছে, গত ২৩ এপ্রিল ঢাকাস্থ ইরানি দূতাবাসে ইরানের জনগণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে তিনি এই দুঃসময়ে ইরানের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সহমর্মিতা ও আন্তরিক সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান বলেও পোস্টে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।