মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ সারা বাংলাদেশ ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়াতে শুরু করেছে। আমাদের কৃষি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, ব্যাংক বিভাগ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, অর্থনীতি তলানিতে নেমে গিয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আজকে শ্রমিক শ্রেণি সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। অথচ এই শ্রমিকরাই সবসময় পরিবর্তনের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। আজকের এই দিন সেই রক্তে লাল হয়ে থাকা মে দিবস।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই অফিসের সামনেই ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর আমরা সমবেত হয়েছিলাম, যখন আমাদের সভা করতে দেয়া হচ্ছিল না। পুলিশ বাধা দিচ্ছিল এবং অতর্কিত হামলা চালায়। তখন প্রথম শহিদ হন মকবুল, একজন ওয়ার্কশপের শ্রমিক। আমাদের এই ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে অসংখ্য শ্রমিক প্রাণ দিয়েছেন।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি কয়েক দিন আগে হকারদের পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়েছেন। এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি, কারণ এই মানুষগুলোই আমাদের আন্দোলনের অগ্রসৈনিক ছিল। তাই আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির বিষয়টি আপনি বিবেচনা করবেন। শ্রমিকদের সেই ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিত করার বিষয়টি আপনি দেখবেন।’
তিনি বলেন, ‘একইসঙ্গে শ্রমিকদের সন্তানরা যেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পায়, সে বিষয়েও আপনি গুরুত্ব দেবেন। যার কাজ আপনি এরইমধ্যে শুরু করেছেন।’