হাজি বাবাই জানান, ইরানের পার্লামেন্টের ২৫০ জন সদস্য সর্বসম্মতভাবে এ পরিকল্পনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ে কোনো পরিস্থিতিতেই আপস করা হবে না।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানের তেল রপ্তানি প্রতিদিন ১৬ লাখ ব্যারেল ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষায়, ইরানের তেল এখন কার্যত নিষেধাজ্ঞার প্রভাবমুক্ত হয়ে পড়েছে এবং দেশটি নিজেদের অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও পিছপা হবে না।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট হিসেবে বিবেচিত।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, তারা প্রণালী এলাকায় মাইন অপসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং দুটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার সেখানে মোতায়েন রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে প্রণালিটি বন্ধ করার পর ওই এলাকায় মার্কিন রণতরীর উপস্থিতির দাবি ইরান অস্বীকার করেছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান