স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জালাল মিয়ার দোকান থেকে রসম আলী মালামাল ক্রয় করেন। পরে দোকানদার পাওনা টাকা চাইলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। জালাল মিয়া দাবি করেন, তার কাছে ১৮৫ টাকা পাওনা রয়েছে, আর রসম আলী বলেন, তিনি মাত্র ৩০ টাকা দেনা আছেন।
বিতর্ক ধীরে ধীরে উভয় পক্ষের স্বজন ও সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে গিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে রূপ নেয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারির ঘটনায় নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। আহতদের লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
লাখাই থানার কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল হক কালবেলাকে জানিয়েছেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ তৎপর থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে স্থানীয়রা জানান, এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।