দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের ছোট্ট গ্রাম আজাতে কেটেছে ল্যাক্রোঁর শৈশবের অনেকটা সময়। মাত্র কয়েকশ বাসিন্দার এই গ্রামেই দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছেন তিনি। পরে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে খুব অল্প বয়সেই গ্রাম ছেড়ে দূরের এক ফুটবল একাডেমিতে চলে যান। কিন্তু ব্যস্ত জীবনে প্রবেশ করেও শৈশবের গ্রামকে ভুলে যাননি এই ফরাসি ডিফেন্ডার।
ফ্রান্সের বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়ার পর তাই অভিনব এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ল্যাক্রোঁ। ফ্রান্সের প্রতিটি ম্যাচের দিন গ্রামের সব বাসিন্দার জন্য পিৎজার ব্যবস্থা করবেন তিনি। এ বিষয়ে স্থানীয় মেয়রকেও আগেই জানিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
ল্যাক্রোঁর এই উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত গ্রামবাসীরাও। তারা ঠিক করেছেন, টাউন হলে বড় পর্দা বসিয়ে একসঙ্গে ফ্রান্সের ম্যাচ উপভোগ করবেন। নিজেদের গ্রামের একজন বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন, এই গর্বই এখন সবচেয়ে বড় আনন্দ তাদের জন্য।
ফ্রান্সের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার পর ২০২০ সালে জার্মানির উলফসবুর্গে যোগ দেন ল্যাক্রোঁ। পরে ইংলিশ ক্লাব ক্রিস্টাল প্যালেসে নাম লেখান তিনি। ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে এবার প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ দলে।
বিশ্বকাপে ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও সাইডলাইন থেকে দেখেছেন দলের জয়। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের গ্রামের ছেলেকে ফ্রান্সের জার্সিতে খেলতে দেখা আজাতের মানুষের এখন একমাত্র প্রতীক্ষা।