সোমবার (১১ মে) বিকেল ৪টা থেকে রাত সন্ধ্যার পর পর্যন্ত জেলার কালিয়াকৈর পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলেন, শামীম হোসেন, শিপলু সরকার, শাহিনুর, ইউসুফ আলী, গোলাম রাব্বী, সুরুজ্জামান, সানোয়ার, রিদয় রায়, ফারুক হোসেন, কাউসার, রেজাউল করিম, লুৎফর রহমান, সামিয়া খানম, শাহরুফ হাসান, শহীদুল ইসলাম।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে কালিয়াকৈর পৌর এলাকার মাকিসবাথান, গোয়ালবাথান, খাড়াজোড়া, টান কালিয়াকৈরসহ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেসহ হরতকিতলা এলাকায় বেওয়ারিশ একটি কুকুর পথচারীদের ধাওয়া করে। এসময় অনেকেই কুকুরটির মুখোমুখি হলে তাদের পায়ে কামড়ে দেয়। একে একে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৬ জনকে কামড়ে জখম করে। পরে তারা দ্রুত কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আহতদের দ্রুত জলাতঙ্কের টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের খাড়াজোড়া ফ্লাইওভারের নিচে চায়ের দোকানদার মুজিবুর মিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুজন মহিলা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। কুকুরটি দৌড়ে এসে একজনের উপর ঝাপিয়ে পড়ে পায়ে কামড় দেয়। পরে আমরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া দিলে কুকুরটি পালিয়ে যায়।
আহত সানোয়ার হোসেন জানান, আমি অফিস ছুটির পর হেঁটে বাড়ি ফিরছিলাম। কুকুরটি আমার মুখোমুখি এসে পাশ কাটিয়ে যাবার সময় আমার পায়ে কামড়ে দেয়। পরে আমার হাতে থাকা ব্যাগ দিয়ে আমি তাকে আঘাত করলে দৌড়ে চলে যায়। পরে আমি দ্রুত হাসপাতালে আসি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. নাফিজুর রহমান জানান, আজ বিকেল থেকে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত ১৬ জন পর্যায়ক্রমে হাসপাতালে আসে। পরে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। রোগীদের ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এ. এইচ. এম. ফখরুল হোসাইন জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। ইতোমধ্যে পৌরসভার লোকজনকে বলা হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে।