সোমবার (১১ মে) ফেনীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিনের আবেদন করলে আদালত না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন। ওই ছাত্রদল নেতার বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নে। তিনি ফাজিলপুর গ্রামের মর্তুজা ফয়েজের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আজিজুল হক, তার স্ত্রী ও মেয়ের উপর নির্যাতন চালায় জ্যাকসনসহ কয়েকজন। এসময় তারা বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে আজিজুলের সন্তান সম্ভবা এক মেয়েকে হাত-পা বেধে রাখে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাদের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করে।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলেও মামলা রেকর্ড না করায় আদালতে জ্যাকসন, তার ভাই নাজমুল হোসেন, আবরার আজিম ভূঞা তাইফ ও নিলুপাকে আসাসী করে মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষক আজিজুল হক।
আসামীদের মাঝে এ এস এম মঈনুল হোসেন জ্যাকসন ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং আবরার আজিম ভূঞা তাইফ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের শহীদ সালাম-বরকত হলের এজিএসের দায়িত্বে রয়েছেন। বিচারক আবেদন আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।
সোমবার ফেনীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে ছাত্রদল নেতা জ্যাকসন ও নিলুপা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। বিচারক শুনানি শেষে নিলুপাকে জামিন দিলেও এ এস এম মঈনুল হোসেন জ্যাকসনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ মামলায় অপর দুই আসামী এখনো পলাতক রয়েছেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শহীদুল আলম ইমরান জানান, শিক্ষক পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ আসামী মধ্যে ২ আসামী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত নিলুপা নামের এক আসামিকে জামিন দিলেও জ্যাকসন নামের একজনকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।