বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ ৮ মাস আগে উপজেলার বেড়ামালঞ্চা গ্রামের সুজন মিয়ার সাথে স্বপ্না খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ি লোকজন যৌতুকের দাবিতে তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। স্বপ্না খাতুন নিহত হবার আগের দিনও তাকে মারপিট করা হয বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোখলে মিয়া বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনা অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন।( মামলা নম্বর-০৮/১৫৪)।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগে আরো বলেন, মামলার আসামি সাইফুল ইসলামকে জামায়াতের কর্মী দাবি করে তাকে রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বলেন, জামায়াতের নেতা আজাদুল ইসলামসহ একটি মহল মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদীপক্ষকে ভয়-ভীতিসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। নিহতের ভাই ও মামলার বাদী মোখলেছ মিয়া বলেন, প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দিতে আসল অপরাধীদের আড়াল করতে একটি মহল তৎপর হয়ে ওঠেছে।
উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান বলেন, এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক গোষ্টি তাকে জড়িয়ে বিভিন্ন ভাবে অপ-প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। স্বপ্না হত্যাকাণ্ডে আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তিনি।