সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পেট্রোলিয়াম পণ্য মজুদ রেখে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি বন্ধ রাখার অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।
ফরিদপুর সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার নেতৃত্বে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব রহমান আকাশের পরিচালনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে কানাইপুর বাজারের হোসেন ফিলিং স্টেশন বন্ধ পাওয়া যায়। সেখানে ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৬ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন ও ১৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভোক্তাদের কাছে জ্বালানি বিক্রি না করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ অভিযোগে পাম্পটির ব্যবস্থাপক সাবির চৌধুরীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর আওতায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে পাম্পটি খুলে দিয়ে বাস, ট্রাক, কৃষি যন্ত্র, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। পাম্প কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
অন্যদিকে ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পাশে রয়েল ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, সেখানে শুধু ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিল। মজুদ যাচাই করে দেখা যায়, পাম্পটিতে ৩ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল, ৩ হাজার ৪০০ লিটার অকটেন ও ১৯ হাজার লিটার ডিজেল রয়েছে।
পাম্পটির মালিক ও ব্যবস্থাপক যান্ত্রিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কোনো অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি।