দলীয় সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের পর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ পদে যেতে আগ্রহীদের মধ্যে লবিং শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পদপ্রত্যাশীরা নিজেদের প্রার্থীতা প্রচার করছেন। নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নতুন কমিটি না হওয়ায় সংগঠন দুর্বল হচ্ছে এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল বেড়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকারের কার্যক্রমে ব্যস্ত বিএনপির মূল ও অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতা সংসদ ও মন্ত্রিসভায় যুক্ত থাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা স্থবির। দলের অঙ্গসংগঠনের ১১টির মধ্যে ১০টির কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। এর ফলে নতুন নেতৃত্ব তৈরির পথ সংকুচিত এবং পদবঞ্চিত কর্মীরা সংগঠন থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্র বলছে, ঈদের পর অঙ্গসংগঠনগুলো পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অঙ্গসংগঠনগুলোর পুনর্গঠন দ্রুত শুরু করার নির্দেশনা দেন। বিএনপির প্রধান যুব অঙ্গসংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, মুক্তিযুদ্ধা দল, তাঁতীদল, মৎস্যজীবী দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, জাসাস ও ওলামা দল-এই ১১টির অধিকাংশই মেয়াদোত্তীর্ণ।
দলীয় নেতারা মনে করেন, অঙ্গসংগঠনগুলো পুনর্গঠন না হলে নির্বাচনের সময় প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো সুযোগ নিতে পারে। ইতোমধ্যে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মৎস্যজীবী দল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠন দীর্ঘদিন কমিটি না থাকার পরও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে। তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না হওয়ায় সংগঠনগুলোর কার্যক্রম সীমিত রয়েছে। বিএনপির হাইকমান্ড আশা করছে, ঈদের পর অঙ্গসংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে।