বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড ও রণবাঘা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার।
ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার। পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী অভিযোগ করেন, ৫০০ টাকার টিকিট তাকে ৭৫০ টাকায় কিনতে বাধ্য করা হয়। তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের পর তিনি প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মাঠে নামে প্রশাসন।
অভিযানকালে দেখা যায়, একাধিক বাস কাউন্টারে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে। অনেক কাউন্টারে ভাড়ার তালিকাই টানানো নেই।
যাত্রীদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। বিশেষ করে শাহ ফতেহ আলী বাস কাউন্টারসহ কয়েকটি স্থানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আব্দুল মান্নান ও সবুজ এই দুই কাউন্টার ম্যানেজারকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার জানান,যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ভাড়ার তালিকা না থাকা এবং অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রবণতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। তবে এমন অভিযানের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতনতা যেমন বাড়বে, তেমনি অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্যও কমবে। নন্দীগ্রামের এই অভিযান শুধু জরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি একটি শক্ত বার্তা: যাত্রীদের অধিকার নিয়ে কোনো আপস নয়।