আজ (সোমবার) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটশনে আয়োজিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে। সরকার আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে সাশ্রয়ী জ্বালানির দিকে যেতে চায়।
মন্ত্রী বলেন, আগামী জুনের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি চূড়ান্ত করা হবে, যা হবে বিনিয়োগবান্ধব। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাতিল হওয়া সোলার প্রকল্পগুলোও পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে। এজন্য এরইমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যোগ্য প্রকল্পগুলো পুনরায় অনুমোদন দেওয়া হবে। জনগণ যেন কম খরচে বিদ্যুৎ পায়, সেভাবেই সরকার নীতিগত সহায়তা দেবে।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আগের সরকার পুরোপুরি আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা তৈরি করেছিল, কারণ এতে অর্থ পাচারের সুযোগ ছিল। পাকিস্তানের মতো দেশ যদি ২৭ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে, তাহলে বাংলাদেশও পারবে। এজন্য সোলার খাতে নীতিগত সহায়তা বাড়ানো হবে।
তিনি বলেন, প্রতি বছর এক হাজার মেগাওয়াট করে আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং প্রণোদনা দিয়ে সোলারের দিকে আনতে হবে।