এর আগে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে বেইজিং ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীরা।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফর ও দেশে ফেরা উপলক্ষে কোনো ধরনের শোডাউন বা র্যালি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
অন্যদিকে, মালয়েশিয়া সফরেও দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি এবং একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।