‘এমটি গ্রান কুভা’ নামে জাহাজটি ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে এসেছে। চুক্তি অনুযায়ী এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে চীনের ইউনিপেক প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহৃত হবে, আর জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিমানবন্দরে। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, “জাহাজটি পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী দেশে এসেছে। বর্তমানে জ্বালানিসংকট নেই, বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।”
বিপিসি সাধারণত সরকার-থেকে-সরকার চুক্তি (জিটুজি) এবং আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করে। এর মধ্যে ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত অবস্থায় আমদানির মাধ্যমে আসে ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়া সহ অন্যান্য দেশ থেকে।
আগামী এপ্রিলে সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ এবং পাইপলাইনে ৩টি পার্সেলের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন এবং ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে। মে মাসে ১৭টি জাহাজে সাড়ে তিন লাখ টন ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি আসার সূচি ঠিক করা হয়েছে।