সরেজমিনে দেখা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের ঢল নামে চন্দ্রা টার্মিনালে। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের কবিরপুর থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত আরও ৫ কিলোমিটার সড়কে যানবাহনের তীব্র চাপ দেখা গেছে।
যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, চন্দ্রা মোড় পার হতেই তাদের এক থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। সিরাজগঞ্জগামী এক যাত্রী বলেন, সফিপুর থেকে চন্দ্রা আসতেই দেড় ঘণ্টা লাগল। এরপর বাসগুলো যাত্রী তোলার জন্য দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকছে, যার ফলে জট আরও বাড়ছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গাজীপুরের প্রায় তিন শতাধিক পোশাক কারখানা দ্বিতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা করায় বিকেলের পর হঠাৎ করেই যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। নির্ধারিত কাউন্টারগুলো বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রী সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে বাসে ওঠার চেষ্টা করছেন। এতে আরও যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের পরিদর্শক মো. শাহাবুদ্দিন জানান, দিনের বেলা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধ্যার পর যাত্রীদের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। চন্দ্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন হওয়ায় এখানে কিছুটা জটলা তৈরি হয়েছে। তবে মহাসড়কের বাকি অংশগুলো অনেকটা ফাঁকা রয়েছে। পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং আশা করা যাচ্ছে দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।