তিনি জানান, ঈদের পর প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন আনসার সদস্য ও একজন প্লাটুন কমান্ডার অস্ত্রসহ মোতায়েন করা হবে। একই সঙ্গে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে চিকিৎসকরা নিরাপদ পরিবেশে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, টেন্ডার ও আউটসোর্সিংকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দুর্নীতিবাজ চক্র এখনো সক্রিয় রয়েছে এবং সরকার এসব বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিছু হাসপাতালে রোগীদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে, যার মধ্যে খুলনার একটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান, দেশে হাম নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি চলছে এবং ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার ১০৪ শতাংশ শিশুকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় পর্যাপ্ত টিকা সংগ্রহ এবং সিরিঞ্জ সংকট সমাধান করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।