একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এ নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের সব শাখায় ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ এবং তার পরিবর্তে নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট সরবরাহের সেবা নিয়মিতভাবে চালু রাখতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বাজারে এসব নোটের আধিক্য দেখা যাচ্ছে, যা নগদ লেনদেনে ভোগান্তি সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হতে বলা হয়েছে।
বিশেষ করে ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিত গ্রহণ করে নির্ধারিত বিশেষ কাউন্টারের মাধ্যমে বিনিময় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর বিপরীতে গ্রাহকদের ফ্রেশ বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট সরবরাহ করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, কোনো ব্যাংক শাখা এ সেবা প্রদানে অনীহা বা গাফিলতি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে সব ব্যাংককে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।