শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ‘শিল্প খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সহযোগিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে একটি ব্যবসা শুরু এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পেতে গড়ে ৩৫৫ দিন সময় লাগে। তবে সরকার এ সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোম্পানি নিবন্ধনের ১৪ দিনের মধ্যেই উদ্যোক্তারা আমদানি নিবন্ধন সনদ (আইআরসি) ও অন্যান্য প্রাথমিক অনুমোদন পাবেন।
তিনি জানান, বিভিন্ন সংস্থার পৃথক পরিদর্শনের পরিবর্তে সমন্বিত পরিদর্শন ব্যবস্থা চালু করা হবে। পাশাপাশি ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি নিবন্ধন, শেয়ার হস্তান্তর ও কোম্পানি বিলুপ্তিসহ বিভিন্ন সেবা অনলাইনে দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার সফল মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।
বন্দর ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপারেটরদের সম্পৃক্ত করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এতে কার্গো পরিচালনার দক্ষতা বাড়বে, জাহাজের অপেক্ষার সময় ও পরিবহন ব্যয় কমবে। ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকরা বৈশ্বিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে পৌঁছাতে পারবেন।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি আরও একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৫৫০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। তাই এ খাতের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে।