মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক জরুরি বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস।
বার্তায় বলা হয়, বৈরী আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব তিতাস গ্যাসের বিতরণ নেটওয়ার্কে পড়ছে।
তিতাস গ্যাস জানায়, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের অধিভুক্ত এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ থেকে টার্মিনালে গ্যাস খালাস বা রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম ব্যাহত হলে জাতীয় গ্যাস সরবরাহে চাপ তৈরি হয়, যার প্রভাব সরাসরি শিল্প, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আবাসিক গ্রাহকদের ওপর পড়ে।