বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ববাজারে সারের তীব্র ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি দেখা দেবে, যা বৈশ্বিক খাদ্য উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এতে ফসল উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খাদ্য ও কৃষি সংস্থা-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরেও বলেছেন, সারের সংকট ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে ফসল রোপণের সময়সূচিকে ব্যাহত করছে। এশিয়ার কয়েকটি দেশে বপনের উপযুক্ত সময় পার হয়ে গেলেও সারের অভাবে কৃষকরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছেন না।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতির কারণে প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনকারী দেশগুলো তাদের কৃষি কৌশল পরিবর্তন করতে পারে। গম ও ভুট্টার পরিবর্তে সয়াবিনের মতো ফসলের দিকে ঝুঁকতে পারে, যা মাটির উর্বরতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে থাকায় কৃষকরা খাদ্যশস্যের পরিবর্তে বায়োফুয়েল উৎপাদনে ফসল ব্যবহার করতে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে গম ও সয়াবিনের দাম বাড়তে শুরু করেছে, যা আগামী বছর আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সারের সংকট ও জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতির সম্মিলিত প্রভাবে বৈশ্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।