ব্যাপক সংঘর্ষে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা থেকে কারফিউ জারি করে বিষ্ণুপুরের প্রশাসন।
অশান্তির সূত্রপাত মূলত, গত ৭ এপ্রিল বোমা বিস্ফোরণে দুই শিশু নিহতের ঘটনা ঘিরে। এর সাথে কুকি সম্প্রদায়ের জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ চলছিলো। একপর্যায়ে গুজব ছড়ায় যে, কুকি জাতিগোষ্ঠীর একদল সশস্ত্র যুবক বিঞ্চুপুরে ঢুকেছে। এতে বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিস্থিতি চরম বিশৃঙ্খল আকার নেয়।
পুলিশের গাড়ি থামিয়ে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধরা। পুলিশের বাধায় থিঙ্গুনগেইসহ আশেপাশের এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। টিয়ারগ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
সংঘর্ষ আর অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত অন্তত চারজনকে আটক করে অন্য সন্দেহভাজনদের ধরতে তল্লাশির খবর দিয়েছে পুলিশ। সেইসাথে, স্থানীয়দের কোনো গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মনিপুরে মেইতি আর কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে কয়েদ দফা দাঙ্গার পর থেকে নিয়মিত বিরতিতে সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এতে এরই মধ্যে নিহত হয়েছেন দুই জাতিগোষ্ঠির তিন শতাধিক মানুষ।