প্রধান বিচারকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মোশাররফ করিম বলেন, ‘প্রতিভা এমন এক জিনিস, সেইটা সুযোগ না পেলে তুলে ধরা যায় না। মিস অ্যান্ড মিসেস প্লাস বিউটি সেই কাজটাই করছে। নতুনদের সুযোগ করে দিচ্ছে। এইটা অসাধারণ এক উদ্যোগ।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘নতুনদের সুযোগ না দিলে সংস্কৃতি অঙ্গনে শূন্যতা সৃষ্টি হবে। আর সেই কাজটাই বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে করতে হবে। তবেই তো অনেকের মাঝে লুকায়িত প্রতিভা বিকশিত হবে।’
এ সময় স্টার মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার সোহেল আফসান বলেন, ‘প্লাস সাইজ নারীদের জন্য একটি সম্মানজনক ও অনুপ্রেরণার প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। সৌন্দর্য শুধু বাহ্যিক নয়, আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও যোগ্যতাও একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়। সেই বার্তাই ‘মিস অ্যান্ড মিসেস প্লাস বিউটি’র মাধ্যমে সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’
প্রসঙ্গত, স্টার মাল্টিমিডিয়া ও ড্যান্স কিংডমের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল হাজারো প্রতিযোগীকে নিয়ে। সেখান থেকে গ্রুমিং এর মাধ্যমে ৩০জন প্রতিযোগীকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়। এরপর দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নেন সেরা ১৫জন।
সেখান থেকে সেরা ৮জন প্রতিযোগীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফিনালে। বিভিন্ন ধাপের পারফরম্যান্স আবৃত্তি, অভিনয়, নৃত্য, ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস, র্যাম্প ওয়াক এবং সামগ্রিক দক্ষতার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয় বিজয়ীদের।
অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম, বিচারক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা শামীম জামান, চিত্র নায়িকা আঁচল আঁখি, চিত্র নায়ক জয় চৌধুরী এবং স্টার মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার সোহেল আফসান। অনুষ্ঠানে বিশেষ স্টেজ পারফরম্যান্সে অংশ নেন ফ্যাশন মডেল ও কোরিওগ্রাফার অ্যাডলফ খান।