ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম আকাশ, বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ-এর অর্থ বিষয়ক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার দাবি, এটি কোনো সাধারণ অগ্নিকাণ্ড নয়—বরং রাজনৈতিক শত্রুতার ফল। তিনি বলেন, তাকে ভয় দেখানো ও এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পরিকল্পিতভাবে আগুন দেওয়া হয়েছে।
দেলোয়ার হোসেন, শাজাহানপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার, জানান—পরিত্যক্ত ওই মাটির ঘরটিতে কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না, ফলে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা কম। খবর পেয়ে ভোর ৪টা ১৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়দের মতে, ঘরটিতে বিভিন্ন কৃষিপণ্য মজুত রাখা ছিল। এছাড়া একটি দোকানের পুরোনো আসবাবপত্রও সেখানে সংরক্ষিত ছিল, যা আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
আশিক ইকবাল, শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বলেন—ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অগ্নিকাণ্ড ঘিরে এখন দুটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—এটি কি সত্যিই পরিকল্পিত হামলা, নাকি অন্য কোনো অজানা কারণ?
যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, সেখানে আগুনের সূত্র কী—এই প্রশ্নও জোরালো হচ্ছে। সব মিলিয়ে, শাজাহানপুরের এই আগুন শুধু একটি ঘরই পুড়িয়ে দেয়নি—বরং সৃষ্টি করেছে আতঙ্ক, সন্দেহ ও রাজনৈতিক উত্তাপ। তদন্তের ফলাফলই এখন বলে দেবে, এই আগুনের পেছনে লুকিয়ে থাকা প্রকৃত সত্য।