তিনি মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীগ্রাম, নওকুচি ও গান্ধিগাঁও এলাকা প্রকল্পের আওতায় সদ্যনির্মিত সড়ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
ঝিনাইগাতীতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে তিনি বলেন, আকস্মিক পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও জলাবদ্ধতা সারাদেশেরই সমস্যা। এখানকার কোন জায়গায় কী সমস্যা, সেটি চিহ্নিত করতে হবে। একটিমাত্র দপ্তর একা এর স্থায়ী সমাধান করতে পারবে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং এলজিআরডি—এই তিনটি বিভাগ মিলে কাজ করতে হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল প্রকল্প তৈরি করে নিয়ে এলে সাধ্যমতো তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমীন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শাজাহান আকন্দ, সদস্য সচিব মো. লুৎফর রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী শেরপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. ফাহিম চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরি প্রিয়াঙ্কা, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলামসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ।