মঙ্গলবার (৫ মে) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক এক্স পোস্টে জানিয়েছে, ‘দেশের বিভিন্ন অংশে শোনা শব্দগুলো আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কর্তৃক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন প্রতিহত করার ফল।’
পৃথকভাবে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলাগুলো একটি গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি। সংযুক্ত আরব আমিরাত এর জবাব দেওয়ার ‘পূর্ণ ও বৈধ অধিকার’ রাখে।
এরআগে গতকাল সোমবার একাধিক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আরব আমিরাত। এছাড়াও একটি ইরানি ড্রোন আঘাত হেনেছে ফুজাইরাহ পেট্রোলিয়াম শিল্প অঞ্চলে। এতে সেখানে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং তিনজন ভারতীয় নাগরিক আহত হন।
এাদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইরানি সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, আমিরাতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো মার্কিন সামরিক বাহিনীর দুঃসাহসিকতার ফল এবং যে স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত বা আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে, সেগুলোতে হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা ইরানের ছিল না।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে আকস্মিক হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েল, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামারিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। পাশাপাশি এসব তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রসহ জ্বালানি অবকাঠামোগুলোতেও বেশ কয়েক দফা হামলা করেছে তেহরান। তবে গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর সব ধরনের হামলা বন্ধ রেখেছিল ইরান। সূত্র: আলজাজিরা