আমিরাতের দাবি, ফুজাইরাহর ওই স্থাপনায় ড্রোন হামলায় তিনজন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের হামলার কোনো পূর্বপরিকল্পনা তাদের ছিল না। বরং পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-কে।
ইরানের এক সামরিক কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, হরমুজ প্রণালির নিষিদ্ধ পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগ তৈরি করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘দুঃসাহসিকতা’ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে এই উত্তেজনার জন্য দায়ী করেন এবং ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি কমানোর আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট, যা ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ইরানের দাবি, পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের পর হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাহাজকে লক্ষ্য করে তাদের নৌবাহিনী সতর্কতামূলক গুলি চালিয়েছে।
অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সাতটি ইরানি সামরিক নৌযান ধ্বংস করেছে। তবে এই দাবি নাকচ করে ইরান বলেছে, মার্কিন বাহিনী আসলে বেসামরিক পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে।