ঘটনার সূত্রপাত নীলফামারী জেল গেটের সামনে, যেখানে যমুনা কোম্পানির একটি তেলবাহী লরি বিকল হয়ে পড়লে শ্রমিকরা মেরামতের কাজ করছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, নীলফামারী জেলার এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নিয়াজ ভূঁইয়া সেখানে উপস্থিত হয়ে তেল চুরির অভিযোগে লরির ম্যানেজার একরামুল হক, চালক কৃষ্ণ এবং সহকারী ইসতিয়াককে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। শ্রমিক নেতাদের দাবি, এটি একটি ভিত্তিহীন সাজা এবং তারা অবিলম্বে এই তিন শ্রমিকের মুক্তি ও অভিযুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের অপসারণ দাবি করছেন।
ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান এবং সভাপতি আতাউর রহমান আতু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের দাবি আদায় না হলে এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলের ইনচার্জরা সরবরাহ বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যা দীর্ঘায়িত হলে উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সংকট প্রকট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।