শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেওয়া এক রায়ে বিচারক বলেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে ভিসা প্রক্রিয়া চালু রাখা বা স্থগিত করার এমন নীতি যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান ভিসা আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিধিবদ্ধ ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ ক্ষেত্রে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়।
চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, কলম্বিয়া, মিসর, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলাসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা আবেদন, গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়াকরণ এবং নাগরিকত্বসংক্রান্ত আবেদন পর্যালোচনা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়। ২১ জানুয়ারি থেকে এ নীতি কার্যকর হয়।
সে সময় মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এসব দেশের অভিবাসীদের মধ্যে সরকারি সহায়তা গ্রহণের হার বেশি হওয়ায় মার্কিন করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণেই ভিসা ও গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছিল।
এ নীতির বিরুদ্ধে ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার নামে দুটি অভিবাসী অধিকার সংগঠন ম্যানহাটান জেলা আদালতে মামলা করে। ওই মামলার রায়েই বিচারক ভার্গাস ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেন।
এর আগে গত ৩ আগস্ট কলাম্বিয়া জেলা আদালতের বিচারক অমিত মেহতাও বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের গ্রিনকার্ড আবেদন পর্যালোচনা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন।
তবে আদালতের এ রায়কে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের ভিসা আবেদন অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রায়টি মূলত জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নীতিকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
সূত্র: রয়টার্স