ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক বিল্লাল বিন কাশেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জেলার সর্বত্র মুসল্লিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মসজিদ ও ঈদগাহগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
যশোরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে প্রথম জামাত সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
জেলার অভয়নগর, কেশবপুর, মনিরামপুর, ঝিকরগাছা, শার্শা, চৌগাছা ও বাঘারপাড়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ ও ঈদগাহগুলোতেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা প্রশাসন ও ধর্মীয় নেতারা যৌথভাবে এসব আয়োজন তদারকি করছেন।
ঈদের জামাতকে ঘিরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ইতোমধ্যে ইমাম, খতিব ও সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। খুতবায় ধর্মীয় মূল্যবোধ, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহ ও বড় মসজিদে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়া দেখা দিলে মসজিদভিত্তিক জামাত আয়োজনের প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্রদের মধ্যে যাকাত ও ফিতরা বিতরণ কার্যক্রমও জোরদার হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঈদের দিন সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামবে। নামাজ শেষে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ছড়িয়ে পড়বে ঈদের আনন্দ।
সব মিলিয়ে, যশোরে ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।