বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প জানান, প্রথমে আটটি তেলের জাহাজ দেওয়ার কথা বলা হলেও পরে আরও দুটি নৌকা যোগ করা হয়। তার ভাষায়, এগুলো ছিল ইরানের পক্ষ থেকে ‘ক্ষমা চাওয়ার ইঙ্গিত’।
তিনি আরও দাবি করেন, জাহাজগুলোর কিছুতে পাকিস্তানের পতাকা ছিল এবং সেগুলো সফলভাবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। এর আগে, মঙ্গলবার ওভাল অফিসে ট্রাম্প এই ঘটনাকে ‘একটি বিশাল ও মূল্যবান উপহার’ বলে উল্লেখ করলেও বিস্তারিত জানাননি।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরান অভিযোগ করছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে চলাচল করতে দিচ্ছে না। তবে শত্রুভাবাপন্ন নয় এমন জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)-এর মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আল-বুদাইউই অভিযোগ করেছেন, ইরান এই প্রণালী দিয়ে নিরাপদ চলাচলের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থ নিচ্ছে। যদিও ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, তাদের এটা করার কথা নয়, কিন্তু তারা অল্প অল্প করে করছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে, ট্রাম্প ইরানকে পাঁচ দিনের একটি সময়সীমা বেধে দিয়েছেন। তার হুঁশিয়ারি—ইরান যদি পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সংক্রান্ত দাবি না মানে এবং প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দেয়, তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হওয়ায় এখানে যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র : এনডিটিভি