বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে দি ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটবিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিদিন ড্যাশবোর্ডে হালনাগাদ থাকবে, যার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ৮০ শতাংশ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা যায়, তবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার বাজেট কাঠামোয় পরিবর্তনের চেষ্টা করেছে এবং অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, যাতে দেশের সব শ্রেণির মানুষ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। অতীতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী অধিকাংশ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করলেও বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনা সভায় ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান আবু আহমেদ বলেন, আগামী অর্থবছরে সাড়ে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ ইতিবাচক হলেও উচ্চ করহার ও সুদের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি নীতি সুদহার কমানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক গতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
সভায় অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদেরা প্রস্তাবিত বাজেট, প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।