বেলারুশের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও বেলারুশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ইতিবাচক। এই সম্পর্ক আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন। আরও জানান, বেলারুশ সামরিক সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি উৎপাদনে অগ্রসর দেশ। বাংলাদেশ চাইলে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা এবং ড্রোনসহ আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম বেলারুশ থেকে সংগ্রহ করতে পারে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বেলারুশের পটাশ সার উৎপাদন ও রপ্তানির বিষয়েও আলোচনা করেন দেশটির রাষ্ট্রদূত। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে সার আমদানি করে থাকে। বেলারুশও এ ক্ষেত্রে একটি সম্ভাবনাময় নতুন উৎস হতে পারে। কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বেলারুশের কাছ থেকে কারিগরি সহযোগিতা নিতে আগ্রহী বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৈঠকে এক বেলারুশ নাগরিকের ফৌজদারি মামলার বিষয়ও উঠে আসে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়োজনীয় আইনগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রদূত পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বেলারুশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বেলারুশের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।