ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান ইতোমধ্যেই গভর্নরের কাছে এই চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরপরই বিকেল ৪টার দিকে প্রার্থীদের তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর বিধান অনুযায়ী কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য নন, তাই এই যাচাই প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইসি আরও জানিয়েছে, আগামী ২২ ও ২৩ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। এই সময়ের মধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মতামত বা তথ্য প্রদান করতে হবে। বাছাইয়ের সময় তথ্য দেওয়ার জন্য প্রতিটি ব্যাংক থেকে একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি বা কর্মকর্তাকে নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীর বিষয়ে তথ্য না পাওয়া যায়, তবে কমিশন ধরে নেবে যে ওই প্রার্থীর নির্বাচনে অযোগ্য হওয়ার মতো কোনো ঋণ সংক্রান্ত জটিলতা নেই।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ এপ্রিল। সব প্রক্রিয়া শেষে ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।