স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত এসেছে সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম–এর উদ্যোগে দেওয়া ডিও পত্রের প্রেক্ষিতে। ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে পৃথক দুটি চিঠির মাধ্যমে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা ইতোমধ্যেই এলাকায় আশাবাদ সৃষ্টি করেছে।
নতুন অ্যাম্বুলেন্স চালু হলে দুর্ঘটনা বা সংকটাপন্ন রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে আনা–নেওয়া সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ, যারা এতদিন পরিবহন সংকটে পড়ে চিকিৎসা নিতে দেরি করতেন, তাদের জন্য এটি বড় সহায়তা হবে। আগে যেখানে একটি অ্যাম্বুলেন্স পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো, এখন দ্রুত সাড়া পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এ ছাড়া হাসপাতালের পুরোনো ও জরাজীর্ণ ভবন সংস্কারের উদ্যোগ চিকিৎসাসেবায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। আধুনিক পরিবেশে চিকিৎসকেরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে সেবা দিতে পারবেন এবং রোগীরাও উন্নত ও নিরাপদ চিকিৎসা পাবেন।
স্থানীয়দের মতে, মীর শাহে আলমের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও জনমুখী উদ্যোগের ফলেই এ পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে এই অগ্রগতি শিবগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এখন উন্নত স্বাস্থ্যসেবার নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠছে।