প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন আন্তরিকতা পেয়ে নবদম্পতি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বেশ মুগ্ধ হন। তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে আতিকুর রহমান রুমন জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ৭টায়। আমরা আমাদের অনুষ্ঠানের জন্য হল ভাড়া নিয়েছিলাম ৬টা পর্যন্ত। হল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়নি যে— একটা বিয়ের প্রোগ্রাম আছে। হয়তো মনে করেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রোগ্রাম, এজন্য হয়তো কিছু বলতে পারেনি। এক ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর, আমরা যখন জানতে পারি তখন প্রধানমন্ত্রীর কানে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী জানার পর মন্ত্রীদের বক্তব্য রেখে প্রশ্ন উত্তর পর্ব বাতিল করে দেন। নাহলে আরও দেড় ঘণ্টা সময়ে লাগতো। এটা হওয়ার পরে উনি তাড়াহুড়া করে যখন নামছিলেন অনুষ্ঠান শেষ করে, সেখানে এস্কেলেটরের কাছে নববধু দাড়িয়ে ছিল। প্রধানমন্ত্রী তাকে দেখে এগিয়ে গেলেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেন।”
আতিকুর রহমান রুমন জানান, একটু দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘আমাদের অনুষ্ঠান দেরি হয়ে গেলো’। এটা আবার অনলাইনের প্রচার হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর আজ উনি আমাকে বলেছে যেহেতু একটা বিয়ের অনুষ্ঠান তুমি একটা গিফট আমাদের পক্ষ থেকে দাও। সেই গিফটটাই দিয়ে গেলাম আর সেটাই দিতে এসেছি।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, উপহার প্রধানমন্ত্রী নিজে পছন্দ করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “গিফটটা যখন কেনা হয় তখন কয়েক ধরনের ডিনার সেট দেখানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যেটা পছন্দ করে দিয়েছেন সেটাই আমরা নিয়ে এসেছি এবং তিনি সুন্দর করে র্যাপিং করে দিতে বলেছেন।” উপহার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান দুইজনের পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।