মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত র্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যান্য খাতে কিছু সফলতা থাকলেও স্বাস্থ্যখাতে পর্যাপ্ত মনোযোগ না দেওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
রিজভী বলেন, “দ্রুততম সময়ে যেকোনো মহামারি মোকাবিলার জন্য স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং সরঞ্জাম সহ সেখানে পৌঁছাতে হবে। অক্সিজেনের অভাবে করোনা মোকাবিলায় বহু মানুষের প্রাণ গেছে। করোনার বরাদ্দকৃত চাল, গম ও তেল তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের বাড়ির খাটের নিচে উদ্ধার হতে দেখা গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আজকে জনগণের নির্বাচিত সরকার জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে অত্যন্ত কর্মতৎপর। কিন্তু জনস্বাস্থ্যকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। গত ১৫ বছর স্বাস্থ্য খাতে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ নজর দেয়নি।”
রিজভী উল্লেখ করেন, প্রতিদিন দেশে ২৪ ঘণ্টায় সাতজন শিশু মারা যাচ্ছে, যা জনগণের হৃদয়ে করুণ সাড়া সৃষ্টি করছে। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্তদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “কিছু কুসংস্কার, টিকা বিরোধী অপপ্রচার এবং উদাসীনতার কারণে এই হাম নির্মূল হয়নি। মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে গবেষণার জন্য ৩-৫ লাখ টাকার বাইন্ডিং বসানো হয়, যা বিজ্ঞান ও গবেষণার স্বার্থে ঠিক নয়।”
রিজভীর সঙ্গে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, নেতা মীর শরাফত আলী শফুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।