সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ আইনশৃঙ্খলা, পুলিশ সংস্কার, স্বাধীন পুলিশ কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ও স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের কাজ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত এবং প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এগুলো সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, অধ্যাদেশটি এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে যাতে প্রকৃত নির্দেশদাতা শনাক্ত করা কঠিন হয়, এবং এটি পরবর্তীতে সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএনকে শুধুমাত্র নিরাপত্তা প্রদান করা হবে, তদন্ত করার ক্ষমতা নেই, তবে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউএনডিপি’র প্রতিনিধি দলও উপস্থিত ছিলেন।