অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাক্টরিটিতে অসহায় ও নিম্নআয়ের বহু নারী অল্প মজুরিতে কাজ করেন। তাদের অনেকেই শিশু সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে কারখানায় আসেন। ফলে তামাক ও রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে থেকে শিশুদের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
স্থানীয়দের মতে, জনবহুল এলাকায় এ ধরনের কারখানা পরিচালনা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাদের অভিযোগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব ও অর্থের জোরে কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার ম্যানেজার আব্দুস সালাম বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে। ছাড়পত্র না থাকলে কি ফ্যাক্টরি চালানো সম্ভব?”
অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, পাংশা এলাকায় পরিচালিত ওই গুল ফ্যাক্টরির নামে কোনো পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রিফাতুল হক জানান, এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর হতে তথ্য নেয়া হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়া কীভাবে কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জনস্বার্থে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
(উল্লেখ্য, অভিযোগের বিষয়ে কারখানার মালিক মো. শামসুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।