রোববার (১৬ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আমির হাতামি বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাব দেওয়ার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান এমন একটি দেশ, যার রক্ষকেরা প্রয়োজনে ‘পা ভেঙে’ দিতে পারে।
এ সময় ইরানের সেনাপ্রধান আরও ঘোষণা দেন, কোনো ইরানি নাগরিক যদি মার্কিন বাহিনীর কোনো ‘আগ্রাসনকারী’ সদস্যকে হত্যা বা জীবিত আটক করে হস্তান্তর করেন, তাহলে তাকে ৩০ হাজার ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পুরস্কার দেওয়া হবে।
তবে এই ঘোষণার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে বা পুরস্কার দেওয়ার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
আমির হাতামি দাবি করেন, মার্কিন বাহিনী কার্যত ওই অঞ্চল থেকে বিতাড়িত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর প্রবেশের অনুমতি নেই।
ইরানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ইরান এ ধরনের পরিস্থিতি আর কখনো মেনে নেবে না বলে জানান দেশটির সেনাপ্রধান।
সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পরিণত করার হুমকি দেওয়ার কথা জানানো হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। ওই মন্তব্যের পর তেহরানের পক্ষ থেকে এ কড়া প্রতিক্রিয়া এলো।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হওয়ায় এটি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে। সূত্র- ইরনা