৫১ বছর বয়সী বিজয় বলেন, তিনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে প্রতারিত করবেন না। বরং তিনি “প্রকৃত, ধর্মনিরপেক্ষ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি যুগ” গড়ার জন্য কাজ করবেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, তাঁর কাজের মূল্যায়ন করার জন্য জনগণকে যথেষ্ট সময় দিতে হবে।
ভাষণে বিজয় দাবি করেন, তাঁর সরকার কোনো চাপের মধ্যে কাজ করবে না। তিনি বলেন, “আমি ছাড়া ক্ষমতার অন্য কোনো কেন্দ্র থাকবে না। আমিই হব ক্ষমতার একমাত্র কেন্দ্র।”
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ইঙ্গিত দেন যে তাঁর সরকার স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে এবং কোনো জোটসঙ্গীর প্রভাব থাকবে না।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, কেন্দ্র সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কাজ করবে।
বিজয় তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় ৬২৪ কোটি টাকার সম্পদ ঘোষণা করেছিলেন, যার মধ্যে ২১৩ কোটি টাকা সেভিংস অ্যাকাউন্টে এবং ১০০ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিটে রয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
নতুন মন্ত্রিসভায় তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের সমন্বয় দেখা গেছে। সরকারি নথিতে তাঁর প্রথম স্বাক্ষরের মাধ্যমে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা এবং নারীদের সুরক্ষায় বিশেষ বাহিনী গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।