প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার পর তেহরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় এই ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে। সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ৪১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৫টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১,৯১৪টি ড্রোন প্রতিহত করেছে।
অন্যদিকে, কুয়েতে ৩০৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬১৬টি ড্রোন, বাহরাইনে ১৭৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৯১টি ড্রোন, কাতারে ২০৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ৯৩টি ড্রোন হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। জর্ডানে মোট ২৬২টি হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবে অন্তত ৫২টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১,০০৬টি ড্রোন হামলা, এবং ওমানে ১৯টি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে, এতে এক হাজার ৩৪০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন।
এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যার লক্ষ্যবস্তু ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বিপজ্জনক আকার ধারণ করেছে। এর প্রভাব শুধু প্রাণহানিতে সীমাবদ্ধ নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিমান চলাচলেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।