মার্কিন সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের ১ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন করছে। এছাড়া দুইটি মেরিন ইউনিটও পাঠানো হচ্ছে, যার ফলে প্রায় ৫ হাজার মেরিন এবং হাজার হাজার নৌসেনা যুক্ত হচ্ছে। এই অঞ্চলে বর্তমানে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
একই সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে। পাকিস্তান ইতিমধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে এই প্রস্তাব ইরানের হাতে পৌঁছে দিয়েছে। সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া নথিটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের হাতে পৌঁছেছে এবং এখন ইরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করা হচ্ছে।
খবর পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। এছাড়া তুরস্কও বার্তা আদান–প্রদানে ভূমিকা রাখছে। তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির বৈদেশিক বিষয়ক ভাইস চেয়ারম্যান হারুন আরমাগান বলেছেন, আংকারা দুই দেশের মধ্যে বার্তা পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং কূটনৈতিক সমন্বয়ের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং যেকোনো ধরনের সংঘাত এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।