বুধবার (২৫ মার্চ) ঈদের ছুটি শেষে মায়ের সঙ্গে সে ঢাকায় ফিরছিল। আলিফের নানি সাহেদা বেগম জানান, তার মেয়ে জ্যোৎস্না বেগম (৩৫) ঢাকার বাইপাইল এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তাদের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার মাছোঘাটা এলাকায়।
জ্যোৎস্নাকে আমি রাজবাড়ী বড়পুল থেকে বাসে তুলে দিয়েছিলাম। বাড়ি গিয়ে তার সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলাম। তখন জ্যোৎস্না আমাকে বলে, “আম্মা বাস পদ্মায় পড়ে যাচ্ছে”। এরপর আর কোনো কথা শুনিনি। আমার মেয়েটা ফোনে কথা বলতে বলতে নদীর মধ্যে চলে গেলো’।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর ১১ যাত্রী সাঁতরে নিরাপদে উঠে আসতে সক্ষম হন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে বিকাল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। তবে, ওই বাসে মোট কতজন ছিলেন তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।