তাসনিম জানিয়েছে, কুয়েতে চালানো ওই হামলায় সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংবাদসংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্ত হেলিকপ্টারটির একাধিক ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছে যে এসব ছবি সামনে আসায় এখন পুরো ঘটনাটি স্পষ্ট হচ্ছে। তবে এ হামলা কারা চালিয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি সংবাদ সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর পর কুয়েতে মার্কিন অবস্থান লক্ষ্য করে ইরানের পাশাপাশি ইরান-সমর্থিত ইরাকি শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও হামলা চালিয়ে আসছে।
অন্যদিকে, মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের একটি মিসাইল যুক্তরাষ্ট্রের একটি হেলিকপ্টারে আঘাত হানে। সংস্থাটির দাবি, ভূপাতিত মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানের পাইলটকে খুঁজতে পরিচালিত অভিযানের সময় এ হামলা হয়।
সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের যুদ্ধাঞ্চলে ভূপাতিত ওই এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানের একজন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি জীবিত, যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে আছেন এবং চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে দ্বিতীয় ক্রু সদস্যের ভাগ্য এখনো অনিশ্চিত; তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছিল।
এছাড়া বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রভাব নিয়ে এনবিসি নিউজকে দেয়া বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘মার্কিন সামরিক বিমান ধ্বংস হওয়া ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। কোনো ভাবেই না। এটা যুদ্ধ। আমরা যুদ্ধে আছি।’
ইরানের ভেতরে বাধ্য হয়ে বিমান থেকে বেরিয়ে যাওয়া নিখোঁজ ক্রু সদস্যের ক্ষতি বা বন্দি হওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিতে পারে, সে বিষয়ে ট্রাম্প কোনো বিস্তারিত জানাননি বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। টেলিফোন সাক্ষাৎকারে দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছি না, কারণ আমরা আশা করছি এমন কিছু হবে না।’