বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, যদি আইআরজিসি-র উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শান্তিচুক্তি বা আপস মেনে নেন, তবে তাদের হত্যা করতে পারে নিম্নপদস্থ কর্মকর্তারা। এ ক্ষেত্রে দেশটির তরুণ সেনানায়কেরা ‘গুপ্তহত্যা মিশন’ শুরু করতে পারে।
বিবিসি রেডিও ফোরে আমেরিকান ইরানিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হুশাং আমির আহমাদি বলেন, খামেনির শাসনামলে ক্ষমতা ছিল ‘উলম্ব’ বা এককেন্দ্রিক, কিন্তু তার মৃত্যুর পর নেতৃত্ব বিকেন্দ্রীকৃত হয়ে গেছে। বর্তমানে ক্ষমতা মূলত সেনাবাহিনীর হাতে এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার স্থান ও সময় নির্ধারণের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে চলে এসেছে।
আহমাদি আরও জানান, প্রাদেশিক পর্যায়ের ৩১টি আইআরজিসি কমান্ডার এখন নিজের এলাকায় স্বতন্ত্রভাবে পালটা হামলার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখছেন। সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তারা এখনও উপস্থিত থাকলেও মাঠপর্যায়ের তরুণ কর্নেলদের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ নেই।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) মঙ্গলবার রাতে তেহরানের দুটি দূরপাল্লার নৌ-ক্রুজ মিসাইল উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০-১৫০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্ববাজারে তেলের অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাজার এখনো সন্দিহান, যা তেলের দাম এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।