সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহŸায়ক ডা. নুরুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসনে দলীয় ও জোটগত সমীকরণের কারণে বহিরাগত একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। সে সময় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের পক্ষে অবস্থান নেন। আবেগের বশবর্তী হয়ে তাঁর পক্ষে নির্বাচন করায় ভোটের আগেই ৮৩ জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার এবং কৃষকদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
দ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. নুরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয় আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলেও আদর্শচ্যুত হয়নি বা অন্য কোন দলে যোগ দেইনি। আমরা শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি এখনো অবিচল।
নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় দলীয় প্রার্থীর চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রায় ২২ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন। এতেই প্রমাণিত হয় প্রার্থীর বিষয়ে আমাদের তৃণমুলের পর্যবেক্ষণ সঠিক ছিলো। শুধুমাত্র সাংগঠনিক সমন্বয়হীনতা ও তৃণমুলের মতামতের প্রতিফলন না ঘটায় আমরা বিএনপির এই দুর্গ হিসেবে পরিচিত আসনটি হারিয়েছে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে আরো জানানো হয়, জাতীয়তা বাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রয় সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম ফিরোজ সহ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে গড়ে ওঠা নেতৃত্ব কালীগঞ্জ পৌর বিএনপিসহ যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সকল বহিস্কৃত নেতৃবৃন্দের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার এবং কৃষকদলের বিলুপ্ত কমিটি পুর্নবহাল করার জন্য।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস রহমান মিঠু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল ওয়াহেদ, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সাবেক কাউন্সিলার আনোয়ার হোসেন, মোশারফ হোসেন, জবেদ আলীসহ স্থানীয় বিএনপি,ছাত্রদল ও সহযোগি সংগঠনের নেতারা।